শিবালয় (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতাঃ মানিকগঞ্জে জেলায় এবার পশুর চাহিদার বেশী কোরবানী পশু মোটা তাজাকরণ করা হয়েছে। কিন্তু ভারতীয় পশু ঈদকে সামনে রেখে অবাধে দেশে আনলে দেশীয় খামারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মানিকগঞ্জের ৭টি উপজেলায় চলতি ঈদুল আযহা উপলক্ষে ১ লাখ ২১ হাজার ৫ শত ৪২টি পশু লালন পালনের লক্ষ যাত্রা ছিল। সেখানে পশু লালন পালান করা হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৩ শত ৩০টি। চাহিদার চেয়ে ৭ হাজার ৭৮৮টি পশু বেশী প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার বেশীর ভাগ গ্রামেইর প্রতিটি বাড়িতেই গরু, ছাগল ও ভেড়া লালন পালন করে। বিশেষ করে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে প্রতি বছর এখানকার কৃষকরা গরু মোটা তাজা করণ করে থাকে। আর কয়েক দিন পর থেকে এ উপজেলার পশুর হাটগুলি জমে উঠবে।
সাটুরিয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা বলেন, বিগত ৭-৮ বছর ধরে ঈদ আসলেই সাটুরিয়ার নামটি উঠে আসছে। দেশের সবচেয়ে বেশী ওজনের পশু লালন পালন করে এ রেকর্ড করে সাটুরিয়ার খামারিরা। তবে এ বছর বড় পশু না থাকলেও ঈদকে সামনে রেখে অনেক খামারীরা প্রস্তুত রয়েছে। চলতি বছরে সাটুরিয়ায় কোরবানির জন্য ২১ হাজার ১১ টি পশু লালন পালনের লক্ষ মাত্রা ছিল। কিন্তু চাহিদার তুলনায় ৭ শত ৬৬ টি বেশী হয়ে ২১ হাজার ৭ শত ৭৭টি পশু লালন পালন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮ হাজার ৮৫ টি গরু, ১২ হাজার ৫শত ৮৭ টি ছাগল এবং ১ হাজার ৯৯ টি ভেড়া প্রস্তুত হয়েছে। এদিকে সাটুরিয়ার কোরবানির পশুর হাট জমে না উঠলেও স্থানীয় ভাবে যারা কোরবানি দিবেন, তারা ইতোমধ্যে গ্রামে গ্রামে গিয়ে খোজ খবর নিচ্ছেন। পছন্দ হলে আগে ভাগেই কিনে রাখছেন পশুগুলি।
সাটুরিয়া উপজেলার অর্গানিক র্যাঞ্চ এর মালিক সলিমুল্লাহ খান বলেন, এ বছর কোরবানী উপলক্ষে আমার খামারে ৪০ টি গরু মোটা তাজা করেছি। আমার গরু কোন হাটে নিয়ে বিক্রি করি না। বিভিন্ন জাত ভেদে ৪৮০- ৫৫০ লাইভ কেজিতে বিক্রি করব। গত বছরও খামার থেকেই সব গরু বিক্রি করেছি।