কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদ ও জামায়াত-শিবিরের নেতা কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় পৃথক দুইটি মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
বিশেষ সূত্র মতে, গত শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধার আগে কুষ্টিয়ার ছয় রাস্তার মোড়ে মুফতি আমীর হামজা এমপির বাড়ীর গলির সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা। এ সময় মুফতি আমীর হামজা একটি প্রোগাম শেষে বাসায় ফেরার পথে ওই পৌঁছালে গনঅধিকার পরিষদের ক্যাডাররা সশস্ত্র হামলা করে। আমীর হামজার গাড়ি ভাংচুর করে ও গাড়িতে থাকা কয়েকজনকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ ঘটনায় সোমবার (১৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সাংসদ আমির হামজার পিএস মোমিন বিশ্বাস কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
গণঅধিকার কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ সহ ২৩ জনের নাম উল্লেখ সহ ৪০ থেকে ৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে ওই মামলা করেন।
অপরদিকে গণঅধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া সদর উপজেলা শখার সাংগাঠনিক সম্পাদক মো. রুমন হোসেন বাদী হয়ে মাওলানা হাফিজুর রহমান জিহাদী, মোঃ তানভীর, মুস্তাফিজুর রহমান পলাশসহ জামায়াগ শিবিরের ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ ৩০ থেকে ৩৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা করেন।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, মুফতি আমীর হামজার গাড়ীতে হামলার ঘটনায় পৃথক দুইুট মামলা দায়ের হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।
এ ঘটনার পর থেকে উত্তপ্ত রয়েছে কুষ্টিয়া শহর। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ। তারা দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেছেন।