মোঃ জামিল হোসেন, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) : অল্প সময়ে ভালো ফলন আর সুস্বাদু ও অন্যান্য ফসলের উৎপাদন খরচের চেয়ে লতিরাজ কচু চাষে খরচ কম ও লাভ বেশি হওয়ার কচু চাষে সাফল্য পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার লতিরাজ কচু চাষি কৃষক আবু রায়হান। গরিবের সবজি হিসেবে পরিচিত কচু একটি আয়রন ও ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ সবজি জাতীয় ফসল। যেসব কচু দাঁড়ানো পানিতে চাষ করা হয় সেগুলোকে পানিকচু বলে। বাংলাদেশে পানিকচুর উল্লেখযোগ্য জাতগুলোর মধ্যে লতিরাজ কচু অন্যতম।
এই কচু প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিসমৃদ্ধ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নিরাপদ সবজি লতিরাজ কচু চাষ করে প্রথম বছরেই সাফল্য পেয়েছেন ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়নের ছোট জামবাড়িয়া গ্রামের কৃষক মো.আবু রায়হান।
কৃষক রাইহান জানান, ইউটিউব দেখে ও কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় ও পরামর্শে গত ২৪ সালের শেষের দিকে ১০০ শতক জমিতে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে সংগৃহীত উন্নত জাতের লতিরাজ কচু চারা রোপণ করা হয়। কচুর চারা রোপণের প্রায় ২৫ দিন পরে তিনি ১০০ টাকা কেজি দরে কচুর লতি বিক্রি শুরু করেন।
কচুর লতি উত্তোলন করে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকার লতি বিক্রি করেছেন। তিনি আরও জানান, লতি বিক্রি করে আরও প্রায় ৩ থেকে সাড়ে লাখ টাকা আয় করা যাবে।
এতে অন্যান্য ফসলের উৎপাদন খরচের চেয়ে লতিরাজ কচুতে অল্প পুঁজিতে ভালো লাভ পাওয়া হয়। কৃষক রাইহান জানান, আয়রণ সমৃদ্ধ এ সবজির লতি, পাতা এবং কচু কোনোটাই অপচয় হয় না।