এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কুষ্টিয়ার ৪টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ সাফল্য দেখিয়েছে। এর মধ্যে হাসিব ড্রীম স্কুল, কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও সানআপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পাশের হার শতভাগ।

এবার কুষ্টিয়ায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাশের দিক থেকে উল্লেখযোগ্য ভালো ফলাফল করেছে হাসিব ড্রীম স্কুল, কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও সানআপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, কুষ্টিয়া মডেল ইনষ্টিটিউট শতভাগ সাফল্য অর্জন করেছে। ওই প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থী ছিলো ২০ জন। এর মধ্যে ১২ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।

গতবারের সেরা কুষ্টিয়া জেলা স্কুল এবার ফলাফলের দিকে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে।

কুষ্টিয়া জেলা এসএসসি সমমান পরীক্ষায় গত বছর পঞ্চম স্থান দখল করলেও এবার ফল বিপর্যয়ে গেল ১০ স্থানে। পাসের হারের ভিত্তিতে বোর্ডের ফলে তলানিতে নেমে গেছে কুষ্টিয়া জেলা। পাসের হার ৬২ দশমিক ৯০ শতাংশ। গত বছর পঞ্চম স্থানে থাকা জেলাটি এক ধাক্কায় ১০ অবস্থানে চলে গেছে। গত বছর এই জেলার পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৪০ শতাংশ।

কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরীক্ষার্থী ছিল ১৬৮ জন ও তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯ জন। হাসিব ড্রিম স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরীক্ষার্থী ৮১ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৩ জন। সানআপ স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরীক্ষার্থী ১৬ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে চারজন। তিন স্কুলের পাশের হার ছিল শতভাগ।

জিপিএ-৫ প্রাপ্যতার মধ্যে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ ১৯০ জন পেয়েছে। এ স্কুল থেকে পরীক্ষার্থী ছিল ২৭১ জন। এদের মধ্যে ফেল করেছে দুইজন। পাশের হার ৯৯ দশমিক ২৬ শতাংশ। প্রতীতি বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষার্থী ছিল ৮৮ জন, যাদের মধ্যে ২২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাশের হার ৯৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

গত বছর যশোর বোর্ডের শ্রেষ্ঠতম অর্জন ছিল কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের। কিন্ত এবার দুইজন অনুপস্থিত ও চারজন অকৃতকার্য হওয়ায় ফলাফলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। জিলা স্কুলের পরীক্ষার্থী ছিল ২৯০ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৫৬ জন ও পাশের হার ৯৮ দশকিম ৬১ শতাংশ।

কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরীক্ষার্থী ছিল ১১৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৬ জন। পাশের হার ৯৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১৪ জন।

মিশন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিক্ষার্থী ছিল ৭৮ জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪ জন। কুমারখালী সরকারি পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের ১৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ জন।

খোকসা জানিপুর সরকারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৭৭ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯ জন। দৌলতপুর সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ৯৮ জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন।

ভেড়ামারা সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ২৬৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৬ জন ও পাশের হার ৮১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। ভেড়ামারা সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ২০২ জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪১ জন।

মিরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষার্থী ৬০ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত নয়জন। কুমারখালী এমএন পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ১১০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন। লরিয়েটস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পরীক্ষার্থী ছিল ৮৫ জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ জন।