দাপ্তরিক কাজে ডিজিটাল নথি (ডি-নথি) ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা, দ্রুততা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর পাশাপাশি পেপারলেস অফিস বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের আয়োজনে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর নির্দেশনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো ডি-নথি বিষয়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের ২৫ জন কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁরা মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে নিজ নিজ দপ্তরে ডি-নথি কার্যক্রম চালু ও বাস্তবায়নে সহায়তা করবেন। এর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, দ্রুত ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুই দিনের প্রশিক্ষণে ই-নথি ও ডি-নথি ব্যবস্থার পরিচিতি, লগইন ও প্রোফাইল ব্যবস্থাপনা, ডাক আপলোড ও ট্র্যাকিং, অনলাইনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নথি উপস্থাপন, নোট লেখা, খসড়া পত্র তৈরি, ডিজিটাল নথি নম্বর ও শাখা কোডসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
প্রশিক্ষণে বিশেষজ্ঞ হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মুহাম্মদ নাজমুল ইসলাম ও উপ-পরিচালক দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র দাস। প্রথম দিনের সমাপনী সেশনে ডিজিটাল নথি নম্বর, নথির ধরন কোড ও গ্রুপ প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (২২ আগস্ট) সমাপনী মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ শেষ হবে। পরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণে ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছান।