আজ ১৪ আগস্ট বাদ এশা ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এর আহ্বানে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিলে উপস্থিত হয়ে আল্লামা সাঈদীর জীবন, সংগ্রাম ও কুরআনের খেদমত নিয়ে বক্তব্য রাখেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. শামছুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক রুহুল আমিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ এর কর্মপরিষদ সদস্য ড. আবদুল মান্নান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান প্রমুখ।

ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ'র সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হায়দারসহ ডাকসু, হল সংসদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, আল্লামা সাঈদী ছিলেন কুরআনের খাদেম। কুরআনকে তিনি বাংলাভাষী মানুষের সামনে হৃদয়ঙ্গম করার মতো করে উপস্থাপন করার জন্য সারাজীবন জ্ঞান সাধনা ও গবেষণা করে গেছেন। এ কারণে বাংলাদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মানুষও সাঈদীকে ভালোবাসতেন। তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন। সে কারণে হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিপুল সংখ্যক মানুষ তাকে ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আল্লামা সাঈদী তরুণদের ভালোবাসতেন। তরুণদের সঠিক পথ প্রদর্শনের জন্য সবসময় কথা বলতেন। তরুণরাও তার জন্য জীবন উৎসর্গ করতে রাজপথে নেমে এসেছিলেন৷তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের এক বিশ্বস্ত অতন্দ্র প্রহরী। বাংলাদেশের কারা শত্রু, কারা দেশের মানুষের ওপর আধিপত্য কায়েম করতে চায়, সেটা তিনি জনগনকে সতর্ক করতেন। সেকারণেই আধিপত্যবাদী শক্তি তাকে যমের মতো ভয় পেতো এবং তাকে বিচারিক প্রহসনের মাধ্যমে হত্যার চেষ্টা করেছিলো।’

আল্লামা সাঈদী, তার রায়ের প্রতিবাদি বিক্ষোভে গণহত্যার শিকার হওয়া শহীদ ও জুলাই বিপ্লবের শহীদানের জন্য দোয়া পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা নাজির মাহমুদ। পাশাপাশি দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।