তৃতীয় কিস্তি

ভারতীয় কংগ্রেসের প্রভাবশালী এমপি ও ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহর লাল নেহেরুর কন্যা আরেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি নামে পরিচিত, ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী নেহেরুর নাতনী প্রিয়াঙ্কা গান্ধি সম্প্রতি ভারতীয় পার্লামেন্টে স্পষ্ট করে বলেছেন যে, তার দাদী ও পার্টির সরকার ১৯৭১ সালে স্বাধীন করার জন্য বাংলাদেশকে আর্থিক, সামাজিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করে নি, বরং চিরশত্রু পাকিস্তানকে দুর্বল করার জন্যই করেছে। তার স্বীকারোক্তিতে কোনো প্রকার রাখঢাক ছিল না। গত ৫৫ বছরের ইতিহাসে তার দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা এবং সামরিক জেনারেলরা বাংলাদেশের সাথে যে ধরনের আচরণ করে এসেছেন এবং ঢাকায় তাদের বশংবদ সরকার বসিয়ে যেভাবে দেশটিকে শোষণ করেছেন তার নজির দুনিয়ায় পাওয়া মুসকিল। পাকিস্তানের একজন পরাজিত জেনারেল ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতার পেছনে ভারতীয় ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি একশ্রেণির পূর্ব পাকিস্তানীর বিশ্বাসঘাতকতাকেও দায়ী করে ‘Betrayad of East Pakistan’ শিরোনামে একটি বইও লিখে ফেলেছেন। ভারতীয় ষড়যন্ত্র, বাঙালিদের বিশ্বাসঘাতকা কিংবা পাকিস্তনি রাজনীতিবিদরা বা জেনারেলদের অবিমৃশ্যকারিতা পাকিস্তান বিভক্তের কারণ যাই হোক না কেন, এর ফলে পাকিস্তান যে দুর্বল হয়েছে তা যেমন সত্য তেমনি দেশটির আয়তন কমে জনগোষ্ঠীর বৃহত্তর আনাগোনা ও সম্ভাবনাকেও সীমিত করেছে তাও তেমনি সত্য। তবে পাকিস্তান সফরে গিয়ে পাকিস্তানী জনগণ; বিশেষ করে দেশটির রাজনীতিক, সাংবাদিক, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম ও মিল্লাতের উন্নয়নের যে উদগ্র কামনা তা প্রশংসারযোগ্য। আমার ও আমাদের সফরকারি দলের আদর্শিক ও রাজনৈতিক পরিচয়ের উন্মুক্ততা সত্ত্বেও দল-মত নির্বিশেষে তারা আমাদের প্রতি যে আন্তরিক আতিথেয়তা প্রদর্শন করেছেন তা অবিস্মরণীয়। পাকিস্তান সিনেটের খ্যাতনামা সিনেটার ও দেশটির দীর্ঘকালের বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা রোজনামা জং-এর প্রধান সম্পাদক, জং গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সের প্রধান এবং নিখিল পাকিস্তান সংবাদপত্র মালিক সমিতির সভাপতি জনাব সারমাদ আলী কর্তৃক আমাদের সংবর্ধনা প্রদান, পুরস্কৃতকরণ ও সিনেটের তরফ থেকে ক্রেস্ট প্রদান, বিরাট আন্তরিকতার পরিচায়ক।

আগেই বলেছি, একাত্তরে পূর্ব পাকিস্তানকে কেন্দ্র করে ভারতের কাছে পাকিস্তানের পরাজয় নিঃসন্দেহে পাকিনস্তানকে দুর্বল করেছে। তবে পাকিস্তানীদের একতা, ঈমান ও শৃঙ্খলা শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে দেশটিকে অতি অল্প সময়ের মধ্যে নিজেকে শক্ত অবস্থানে দাঁড় করিয়ে বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করাতে সক্ষম হয়েছে। পরাজয়ের গ্লানিকে পাকিস্তান শুধু সামরিক শক্তির বাহনে পরিণত করেনি দেশটিকে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ করে তুলতেও নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দেখিয়েছে । এ লক্ষ্য অর্জনে অতীতের দোষ অন্বেষণে সরকারি ও বিরোধীদল পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে সময় নষ্ট না করে যথাসম্ভব সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বলা বাহুল্য, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানকে হারিয়ে ভারত নিজেকে বিশ্বশক্তি ভাবতে শুরু করে এবং ১৯৭৪ সালে Smiling Budda নামে ভারত তার পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর পর পরই বিজ্ঞানী আবদুল কাদের খানের নেতৃত্বে পাকিস্তানের পারমাণবিক শক্তি অর্জনের প্রক্রিয়া আরো ত্বরান্বিত হয়, ১৯৯৪ সালের মে মাসের ২৮ তারিখে বেলুচিস্তানের চাঘাই পাহাড় এলাকার পাকিস্তান পর পর পাঁচটি ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় এবং এ দিবসটিকে ইয়াওমো তাকবির অভিহিত করে বিশ্বের বুকে একটি ঘোষিত পারমাণবিক শক্তিধর দেশে পরিণত হয়। বলাবাহুল্য, একই বছর মে মাসের ৩০ তারিখেও খারান মরুভূমিতে পাকিস্তান অত্যন্ত সফলভাবে আরেকটি পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছিল। দুনিয়ার নয়টি দেশের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্রধারী পাকিস্তানও একটি দেশ এবং দেশটি Nuclear Non Proliferation Treaty ’র অন্তর্ভুক্ত নয়। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী এর মালিকানায় ২০২৫ সাল পর্যন্ত আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক অস্ত্র ছিল। তারা ইতোমধ্যে শাহীন-১ ও ঘোরি-১ নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্রসহ পাকিস্তানী ক্ষেপণাস্ত্রের প্রকাশ্য প্রদর্শনী করেছে। উল্লেখ্য যে, ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর থেকেই পাকিস্তানের এ যাত্রা শুরু এবং দেশটি ভারতের মোকাবিলায় অনেক শক্তিশালী। তার তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ২৭৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকেও সহজে আঘাত করতে সক্ষম। এই শক্তি অর্জনে মুসলিম দেশগুলো তাকে অর্থ প্রযুক্তি ও প্রকিউরমেন্ট নেটওয়ার্ক সুবিধা প্রদানের আকারে সহযোগিতা করেছে। তবে পাকিস্তান এক্ষেত্রে ব্যাপক সংযম অবলম্বনের নীতিতে বিশ্বাসী। আক্রান্ত না হলে তারা আক্রমণে বিশ্বাসী নয়, দেশটি শান্তিপূর্ণ পারস্পরিক সহাবস্থানে বিশ্বাসী।

অনেকের ধারণা ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তান থাকলে সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে দেশটি দুনিয়ার অনেক দেশকেই ছাড়িয়ে যেত। অনেকের ধারণা বাংলাদেশ-পাকিস্তান ঐক্য সংহতি ও সহযোগিতা উভয় দেশকে যেমন সমৃদ্ধ করতে পারে তেমনি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও উভয় দেশের অবন্ধুসুলভ প্রতিবেশীর আগ্রাসী তৎপরতায় প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াতে পারে। তারা সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পাদিত প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত করারও পক্ষপাতি এবং এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করেন। কেউ কেউ আবার ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে নয়াদিল্লী থেকে প্রকাশিত Radiance views weekly শীর্ষক সপ্তাহিক পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান কনফিডারেশন গঠনকে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিষেধক বলে মনে করেন। বলাবাহুল্য, ৯ জানুয়ারি পত্রিকাটিতে প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী শেখ মুজিবুর রহমান জেলমুক্তির পর পাকিস্তান ত্যাগের আগে বাংলাদেশ-পাকিস্তান মিলিয়ে একটি কনফিডারেশন গঠনের সম্ভাব্যতা পরীক্ষা করে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোকে অনুরোধ করেছিলেন। এটা রাজনীতিকরা বুঝবেন। তবে আমি মনে করি একই আদর্শ, ঐতিহ্য, ধর্ম ও সংস্কৃতির অনুসারী দুটি দেশের ঐক্য আমাদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

বৃটিশরা আমাদের প্রায় দুশ’ বছর শাসন করেছে, শোষণ করেছে। বৃটিশ পার্লামেন্ট ভবনে বিভিন্ন উপনিবেশ থেকে তাদের লুণ্ঠিত সম্পত্তি এনে বৃটিশরা তার শোভা বর্ধন করেছে। লাখ লাখ লোককে হত্যা ও মা-বোনের ইজ্জত হরণের জন্য তাদের প্রতি আমাদের ঘৃণা নেই। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স প্রভৃতি পাশ্চাত্য দেশগুলো বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছে। তাদের প্রতি বাঙালিদের ঘৃনা নেই। ঘৃনা শুধু পাকিস্তানকে যে দেশটির ২৪ বছরের প্রশাসনিক ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদে বাঙ্গালী-অবাঙ্গালী উভয় বর্ণের নেতারা মিলে দেশ শাসন করেছে এবং পূর্ব-পাকিস্তানের সরকার ব্যবস্থাপনায় পশ্চিম পাকিস্তানী বললে কেউ ছিল না বললেই চলে। আমেরিকা চীনসহ একাত্তরে বাংলাদেশ বিরোধী বলে কথিত দেশ ও শক্তিসমূহ আমাদের একশ্রেণীর রাজনৈতিক নেতা তো ক্ষমতার জন্য নোংরামীর শেষ স্তরে নামতেও প্রস্তুত। এ এক অস্বাভাবিক বৈপরিত্য!

পাকিস্তান সফরকালে দেশটির অগ্রগতির কয়েকটি দিক আমাকে আকৃষ্ট করেছে। পারমাণবিক শক্তি অর্জনের কথা তো বললাম। দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। এক্ষেত্রে দেশটির তাপবিদ্যুৎ, কয়লা, পারমাণবিক ও জলবিদ্যুৎ ও সৌরশক্তি নির্ভর মিলে উৎপাদন ক্ষমতা হচ্ছে মোট ৪৯,২৭০ মেঘাওয়াট। এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৮ শতাংশই হচ্ছে সৌরশক্তির অবদান। পক্ষান্তরে বাংলাদেশে এর পরিমাণ হচ্ছে ২ শতাংশ থেকে ২.৭ শতাংশ। বিশ্বব্যাপী জ¦ালানি সংকটের আলোকে জ¦ালানি ও বিদ্যুতের জন্য পাকিস্তানের সৌর উৎসের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি তাদের দূরদর্শিতার পরিচায়ক। তবে সৌর বিদ্যুতের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো বিশেষ করে প্রারম্ভিক ব্যয়ের উচ্চতা, সূর্যের আলো ও আবহাওয়ার অনিশ্চয়তার প্রেক্ষিতে রাত্রিকালীন ব্যবহারের জন্য ব্যাটারির অতিরক্তি ব্যয়, প্যানেল স্থাপনের জন্য অতিরিক্ত স্থান সংকুলানসহ অধিক ব্যয় প্রভৃতির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সেখানে সজাগ বলে মনে হয়েছে। তৃতীয় উল্লেখযোগ্য বিষয়টি হচ্ছে, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল ক্ষেত্রে উন্নয়ন। এই উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারিভাবে যুব সম্প্রদায়কে ব্যাপক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

বোনো কাবিল কর্মসূচি : কাবিল হওয়া মানে যোগ্যতা অর্জন করা। বোনো কাবিল মানে যোগ্য হও। এটি একই সাথে একটি স্লোগান ও কর্মসূচি। পাকিস্তান জামায়াতের জনকল্যাণ ও সমাজসেবা খাতের প্রধানতম প্রতিষ্ঠান আল খেদমত ফাউণ্ডেশন হচ্ছে এর প্রধান উদ্যোক্তা। প্রতিষ্ঠানটি এ কর্মসূচির আওতায় দেশের তরুণদের বিনামূল্যে তথ্য প্রযুক্তি (রঃ) ও ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এটি পাকিস্তানের অন্যতম বৃহত্তম যুব ক্ষমতায়ন ও আইটি স্কলারশীপ কর্মসূচি। এর আওতায় ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্র্যাফিক ডিজাইন, সাইবার সিকিউরিটি ও এআই চালিত বিভিন্ন ইনডিমাণ্ড কোর্স করানো হয়। এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষতিকর দিকগুলো তারা কিভাবে মোকাবিলা করছেন বা করবেন এই ধরনের এক প্রশ্নের জবাবে তাদের একজন মধ্য সোপানের কর্মকর্তা পরিষ্কারভাবে বলেছেন যে, তারা AI’র মোকাবিলায় DIকেও প্রাধান্য দিচ্ছেন। DI হচ্ছে Devine Intelligence বা আল্লাহ প্রদত্ত বুদ্ধিমত্তা। অও-এর ওপর উও-এর প্রাধান্য থাকলে মানব জীবনের কোন ক্ষেত্রেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তার কুপ্রভাব ফেলতে পারে না। কথাটা শুনে আমার বেশ ভাল লাগল।

এ প্রোগ্রামের চতুর্থ সংস্করণ বা Bano Qabil 4.0 -এর আওতায় বিশাল পরিসরে Aptitnde Test ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কোর্স শেষে নামী শিক্ষা বোর্ড ও ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়, পাকিস্তান জামায়াতের আমীর হাফিজ নাইমুর রহমানের সাথে তার দফতরে আমরা প্রায় আধাঘণ্টা আলোচনা করার সৌভাগ্য হয়েছে। সত্তরের দশকে ঢাকা শহর আমীর ইঞ্জিনিয়ার খুররম মুরাদের প্রতিচ্ছবি আমি তার মধ্যে দেখতে পেয়েছি। দু’জনই ইঞ্জিনিয়ার, স্বল্পভাষী, বুদ্ধি ও প্রতিভাদীপ্ত। বাংলাদেশ জামায়াতের বর্তমান আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সাথে তার অনেক মিল পাওয়া যায়। দু’জনই Versatile, দাওয়া কর্মে পারদর্শী এবং জটিল বিষয়সমূহের সহজ সমাধানে পটু। যুব সমাজকে সংগঠিত করা এবং বোনো কাবিল কর্মসূচি বাস্তবায়নে তার নিরলস পরিশ্রম প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন শহরে এক বা একাধিক কনভোকেশনের বার্তা বহন করছে। আল খেদমত ফাউণ্ডেশন শুধু পাকিস্তান নয় সারা দুনিয়ায় জনকল্যাণ তথা খেদমতে খালক-এর পথিকৃত হিসেবে কাজ করছে। পাকিস্তান জামায়াত ও আল খেদমত ফাউণ্ডেশনের সদর দফতর আমি পরিদর্শন করেছি। আল খেদমতের প্রতিটি ইটে যাদের ঘাম মিশে আছে তাদের মধ্যে জনাব আবদুশ শাকুর, অধ্যাপক ড. হাফিজুর রহমান ও মিয়া ওয়াকাস ওয়াহিদ অন্যতম। জনাব আবদুশ শাকুর সাহেবকে সম্প্রতি আমীরে জামায়াতের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। (অসমাপ্ত)