বর্তমানে গ্রাম ও শহর উভয় এলাকাতেই দৈনন্দিন রান্নার কাজে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্রুত, সহজ ও সময় সাশ্রয়ী হওয়ায় অধিকাংশ মানুষই এখন গ্যাসে রান্না করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে ৯ গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের ক্ষেত্রে অসতর্কতা মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। অনেক সময় গ্যাস লিকেজ, আগুন লাগা কিংবা বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটে, যা প্রাণহানির ঝুঁকি সৃষ্টি করে। তাই নিরাপদে গ্যাস ব্যবহার করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। গ্যাস সিলিন্ডার সবসময় সোজা ও স্থির স্থানে রাখতে হবে। এটি এমন জায়গায় রাখতে হবে যেখানে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করে। রেগুলেটর, চুলা ও পাইপ নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে এবং কোনো ফাটল বা ক্ষতি দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন করতে হবে। সাধারণত ১-২ বছর পরপর পাইপ বদলানো উচিত। গ্যাসের গন্ধ পাওয়া গেলে আগুন বা বৈদ্যুতিক সুইচ ব্যবহার না করে দরজা-জানালা খুলে দিতে হবে। ব্যবহারের পর চুলার সুইচ ও রেগুলেটর বন্ধ রাখাও জরুরি। এসব সতর্কতা মেনে চললেই দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব এবং নিরাপদে গ্যাস ব্যবহার করা যাবে।
শেখ সুলতানা মীম
শিক্ষার্থী, ইডেন মহিলা কলেজ, ইংরেজি বিভাগ।
ভাঙা ব্রিজ, বেহাল সড়ক
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার খালুয়া থেকে মোহনগঞ্জ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ যাতায়াত করে। এ সড়কটি আবার আটপাড়া ও মোহনগঞ্জ উপজেলার সংযোগপথ।
ফলে এ অঞ্চলের মানুষের কাছে সড়কটির গুরুত্ব অনেক। কিন্তু দুঃখজনকভাবে খালুয়া থেকে পাবই পর্যন্ত প্রায় চার-পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা একেবারেই ভাঙাচোরা ও সরু। এতটাই সরু যে দুটি অটোরিকশা ক্রসিং করতে বেশ কষ্ট হয়।
তাছাড়া এ ভাঙা রাস্তার মাঝখানে পাবই অঞ্চলে একটি ব্রিজ রয়েছে, যা প্রায় অচল অবস্থায় আছে। এ ব্রিজে ইতোমধ্যে অসংখ্য দুর্ঘটনা ঘটেছে। ফলে অনেক সময় এ রাস্তা এড়িয়ে ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়। এতে জনসাধারণের সময় অপচয়ের পাশাপাশি ভোগান্তিও বাড়ছে।
আরও জানা যায়, সড়কটি মোহনগঞ্জ উপজেলার আওতাভুক্ত হলেও ব্রিজটি আটপাড়া উপজেলার মৌজায় পড়েছে। এ প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এর কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না। অথচ জনসাধারণের ভোগান্তি দিনদিন বেড়েই চলেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি যেন এ সড়ক ও ব্রিজ সংস্কারের জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
আমিমুল এহসান নাজিফ
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।