দুই হাজার চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের সময়গুলোকে অতিক্রম করে ঘটেছিল আগস্ট বিপ্লব। আর এই বিপ্লব ছিল সময়ের অনিবার্য পরিণতি ও প্রকাশ। সেটি ছিল না কেবল একটি সরকারকে বিদায় করে আরেকটি সরকারের নিয়মিত পালাবদলের মাধ্যমে ক্ষমতারোহণের ব্যাপার। সেটি ছিল দেশবিরোধী, জাতিসত্ত্বাবিরোধী, সংস্কৃতিবিরোধী ও নৈতিকতাবিরোধী ক্ষমতাগ্রাসী দলীয় শাসনের উৎপাটনের লড়াই। সেদিক দিয়ে এটি নিঃসন্দেহে একটি বিপ্লব। যদিও ক্ষমতাবিলাসীরা এটি সে ধরনের কোনো বিপ্লব হওয়ার ধারণাকে অস্বীকার করতে চায়। বিশেষত ধর্মনিরপেক্ষবাদী ও বামপন্থি মহল। এরা যেমন নির্দিষ্ট দলীয় ব্যানারে অবস্থান করছে তেমনি অন্যদলের ভিতরে ‘ছুপারুস্তুম’ হিসেবে ঘাপটি মেরে জুলাই-বিরোধীদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। এদের সবচেয়ে মোক্ষম ছাতা হলো ‘গণমাধ্যম’ ও ‘সাংস্কৃতিক আঙিনা’। এরা মিডিয়াকে কব্জায় রেখে নিজেদের লক্ষ্য হাসিলে তৎপর রয়েছে।
বিপ্লব-এর উদাহরণ : দেশে দেশে ‘বিপ্লব’ বলতে যা বুঝায় তাতে সেসব দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষিতে বুঝতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সে সব দেশের নির্যাতীত-নিপীড়িত মানুষের নাটকীয় ও মৌলিক পরিবর্তন আনার সফল সংগ্রামই হলো বিপ্লব। সপ্তদশ থেকে ঊনবিংশ শতকের মধ্যে (যেটি আধুনিককাল হিসেবেও বিবেচিত)Ñ বেশ কয়েকটি জাতীয় বিপ্লব সংঘটিত হয়। এর মধ্যে ১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ‘ফরাসি বিপ্লব’। এটি ছিল একটি রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক বিপ্লব। এর ফলে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের পতন ঘটে। ‘স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব’র স্লোগান বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ১৭৭৫-১৭৮৩ খ্রিষ্টাব্দে ঘটে ‘আমেরিকান বিপ্লব’। এর মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে জন্ম নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দের সময়কালে ঘটে ‘হাইতি বিপ্লব’। এটি ছিল দাসপ্রথার বিরুদ্ধে সফল এক বিদ্রোহ। এর মাধ্যমে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্বাধীন প্রজাতন্ত্র গড়ে ওঠে। ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে ঘটে বহুল আলোচিত সমাজতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিবর্তনকারী ‘রুশ বিপ্লব’। এর মধ্য দিয়ে রাশিয়ায় জার শাসনের অবসান ঘটিয়ে কমিউনিস্ট শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত হয় ‘চীন বিপ্লব’। মাও সেতুংয়ের নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সফল হয়। ইউরোপের শেষ বিপ্লব ছিল অষ্টাদশ শতাব্দীর শিল্প ও অর্থনৈতিক রূপান্তরজনিত ‘শিল্প বিপ্লব’। ইংল্যান্ডে শুরু হওয়া এই বিপ্লব কৃষিনির্ভর সমাজকে যন্ত্র ও শিল্পভিত্তিক সমাজে রূপান্তর করে। মানুষের জীবনযাত্রায় আসে বিরাট পরিবর্তন। এর মধ্য দিয়ে কথিত ‘আধুনিক’ জীবনযাত্রার দিকে ধাবিত হয় পশ্চিমা বিশ্ব।
মদীনার বিপ্লব : আমরা এসব বিপ্লবের ভিড়ে হারিয়ে ফেলেছি এক যুগান্তকারী বিপ্লবকে। সেটি ছিল মদীনার ‘ইসলামী বিপ্লব’। সরল কথায় মদীনার প্রথম ইসলামী বিপ্লব বলতে ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর মক্কা থেকে মদীনায় (তৎকালীন ইয়াসরিব) হিজরত এবং এর মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম আদর্শ ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও সমাজ পরিবর্তনের যুগান্তকারী ঘটনাকে বুঝায়। এটি ছিল রক্তপাতহীন এক আদর্শিক ও সামাজিক বিপ্লব, যা গোত্রভিত্তিক সংঘাতপূর্ণ সমাজকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল জাতিতে রূপান্তরিত করে। পরবর্তী কয়েকশো বছরজুড়ে পৃথিবীর দেশে দেশে এই বিপ্লবের প্রজ্জ্বলিত দীপশিখা আলোর বিস্তার ঘটিয়ে চলেছে। বলা বাহুল্য, উপরের বিপ্লবগুলো জাগতিক বিষয়-আশয় নিয়ে সংগঠিত ও সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু মদীনার বিপ্লব ছিল তাওহিদের ওপর বিশ্বাস এবং প্রবল নৈতিকতাকে কেন্দ্র করে। মানুষের বিশ্বাস ও তার চরিত্র ছিল এর মূল ভিত্তি। মহান আল্লাহপাকের অসীম কৃপা যে, আমাদের এই বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষেরা সেই আলোয় আলোকিত হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছেন। প্রায় অখণ্ড একটি মুসলিম সমাজ প্রতিষ্ঠিত থাকায় এর বৈপ্লবিক ইস্যুগুলো অন্য বিপ্লবগুলোর প্রকৃতি ও চরিত্রের সঙ্গে প্রায়ই মিলবে না। এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য স্থানীয়ভাবেই বিচার করতে হবে।
কেনো এই বিপ্লব : প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে, বাংলাদেশে কী এমন ঘটেছিল যে এখানে কোনো বিপ্লব ঘটাতে হবে! একথা সকলেরই জানা যে, ভারতের সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’র মুখোশে আস্ত একটা সাম্প্রদায়িক চেতনাবাজি দ্বারা আচ্ছাদিত। ভারত তার ঐতিহাসিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশে সর্বদা তার বশংবদ একটি শাসক দলকে পছন্দ করে এসেছে। ভারত যে কেবল নিজেদের স্বার্থে পাকিস্তান ভেঙে দুই টুকরো করতেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইয়ে সহযোগিতা করেছিল সেটা আর কোনো লুকোছাপার কিছু নয়। বিভিন্ন সময়ে ভারতীয় রাজনীতিকদের বক্তব্য ও মন্তব্যের মধ্য দিয়ে সেটা প্রকাশ পেয়েছে। ভারতের আসল লক্ষ্য ছিল, তাদের ‘অখণ্ড’ ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে তাদের অঙ্গীভূত করা। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী জনতা ও দেশপ্রেমিক বাহিনীর সময়োচিত পদক্ষেপ সে স্বপ্ন নস্যাৎ করে দিতে সমর্থ হয়। কিন্তু তাদের কৌশল থেমে থাকেনি। প্রথম কৌশলের অংশ ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা ও দেশকে স্বনির্ভর করার ক্ষেত্রে অগ্রগামী নেতৃত্ব প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়। এর পর জেনারেল এরশাদকে দিয়ে দীর্ঘ শাসনের মধ্যে ভারত স্থায়ী আসন করে নিতে চেষ্টা করে। কিন্তু এরশাদ-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি বাংলাদেশকে পুরোপুরি ভারতীয় বলয়ের ভিতরে আটকে রাখতে দেয়নি। এর পরে আসে আরো ম্যাসিভ তথা বৃহৎ আকারের পরিকল্পনা। এর পরের ধারায় আসে ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনা হয়। এর মধ্য দিয়ে ভারত স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রজেক্ট হাতে নিয়ে অগ্রসর হতে থাকে। এরই অংশ হিসেবে শেখ হাসিনা ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র কয়েকদিনে মাথায় পিলখানা ম্যাসাকার ঘটানো হয় যাতে উচ্চ পদস্থ ৫৭ জন সেনা অফিসারকে নৃশংশভাবে হত্যা করা হয়। এতে সেনাবাহিনীর মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে এবং এর মধ্যের একটি অংশ দুর্বল হয়ে পড়ে। অপর অংশটি ক্ষমতাসীনদের হাতের পুতুলে পরিণত হতে থাকে। এককথায় বাংলাদেশের গৌরব বলে উল্লিখিত বাহিনীটি ক্রমে ভারতের নিজস্ব প্রতিরক্ষা কৌশলের অংশ হয়ে যায়। তাদের নিজস্ব কৌশল বলে কিছু থাকেনি। এর পর আসে রাজনৈতিক নিপীড়ন। এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের জনগণকে বিভক্ত করে রাখা। স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ ধারা সৃষ্টি করে তথাকথিত ‘যুদ্ধাপরাধ’ ইস্যু তৈরি করে এবং বিচারবিভাগকে ব্যবহার করে ইসলামপন্থি ও জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বের একটি অংশকে ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। আরেক অংশকে কারাগারে আটকে রাখা হয়। এভাবে বাংলাদেশের রাজনীতি, প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, অর্থব্যবস্থা, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন প্রভৃতি দৃশ্যমান অথবা অদৃশ্য- সমস্ত কিছুর উপরেই ভারতের আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ভারতীয় স্বার্থের একচেটিয়া পাহারাদার শেখ হাসিনা ও আওয়ামী-বাম চক্রকে তাই ভারত যেকোনো প্রকারে ক্ষমতায় রাখার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে।
সীমাহীন অত্যাচারের রূপ : শেখ হাসিনা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে কী করেনি! গণতন্ত্রকে ব্যক্তিগত ও দলীয় ক্ষমতার জন্য ইচ্ছেমত ব্যবহার করেছে। তার দেয়া বাখ্যা মোতাবেক সংবিধান ও গণতন্ত্র পরিচালিত হয়েছে। আর জনতার মুখ বন্ধ রাখার জন্য হত্যা, গুম, অপহরণ, গোপন বন্দিশালা, আক্রমণ-লুণ্ঠন, গায়েবি ও মিথ্যা মামলা, বিনা বিচারে খুন, ফরমায়েশি রায় ও বিচারবিভাগীয় হত্যা ইত্যাদি হেন উপায়-প্রক্রিয়া ছিল না যা তারা ব্যবহার করেনি। সৃষ্টি করা হয় ‘আয়না ঘর’ নামক চরম নির্যাতনমূলক গোপন গৃহ ও ‘টর্চার সেল’ নামক গোপন কক্ষ। গুপ্তহত্যা, ক্রসফায়ার, গায়েবি মামলা প্রভৃতি ছিল স্বৈরশাসকের অস্ত্র। এই দুঃসহ যাতনামূলক দেড় দশককাল ছিল একটি রুদ্ধশ্বাসের কাল। যা থেকে জাতি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পেরেছে বলে এখন পর্যন্ত মনে করা যেতে পারে। অন্যদিকে ভিতর থেকে বাংলাদেশের মানুষের দেশপ্রেম, ধর্মবোধ, নৈতিকতাবোধ, সামাজিক মূল্যবোধ প্রভৃতি ধ্বংস করে ফেলার সুদূরপ্রসারি কর্মতৎপরতা চলতে থাকে। এই পরিস্থিতি আরো প্রলম্বিত হোক আরো দৃঢ় হোকÑ সেটা পুরো জাতি আর হতে দিতে চায়নি।
দরোজা উন্মুক্ত হলো : রাষ্ট্রীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থা দেড় দশকজুড়ে ছিল অর্গলবদ্ধ। কিন্তু বদ্ধ দরোজা শেষ পর্যন্ত উন্মুক্ত হলো। এটা যেভাবে সম্ভব হলো তা দেশবাসীর প্রায় চক্ষের সামনেই ঘটেছে। একটি ঐতিহাসিক পলায়নের মধ্য দিয়েই সেটি সম্ভব হয়েছে।
এই পলায়নের ঘটনার সঙ্গে মিল পাওয়া যায় ইতিহাসের আরেকটি চরিত্র ও ঘটনার মধ্যে। ইতিহাস অনুসন্ধানীরা বলছেন, এই ঘটনার সঙ্গে ৮শ’ বছর আগের এই বাংলারই হিন্দু রাষ্ট্রের প্রধান সেন রাজা লক্ষ্মণ সেনের প্রাসাদ ছেড়ে পলায়নের কিছু মিল পাওয়া যায়। বাংলার প্রতাপশালী রাজা লক্ষ্মণ সেন মুসলিম অভিযাত্রী মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজির তাড়া খেয়ে ‘নওদীহ’ নামক স্থানে অবস্থিত তাঁর প্রাসাদের পিছন দরোজা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। যাওয়ার সময় তিনি খাবার গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বলা হয়ে থাকে, লক্ষণ সেন পূর্ব বঙ্গের বিক্রমপুরে তাঁর পুত্রদের কাছে অবস্থান করতে থাকেন। তিনিও নাকি হারানো ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর সম্ভব হয়নি। রাজা লক্ষ্মণ সেনের পলায়নের ফলে বাংলার রাজনীতি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রে পরিবর্তনের ধারা সূচিত হয়। ঘৃণ্য শ্রেণিবৈষম্য ও জাতপাতের অবসানের সূচনা হয়। রাজনৈতিক ও সামাজিক নিপীড়ন ও নিগ্রহের কবল থেকে বৃহত্তর বাংলার মানুষ মুক্তির নিঃশ্বাস ফেলে। বলতে গেলে এই বঙ্গের আধুনিক শাসক শেখ হাসিনারও একই পরিণতি হয়েছে। এই বিপ্লবের বিরোধীরা যতই আস্ফালন করুক, জুলাইয়ের ভাষ্যকে বিকৃত করতে যতই চেষ্টা করুক- তাদের পিছনে ফেলে যাওয়া তালুক আর ফিরে পাওয়া সম্ভব হবে না। জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিবরণ কেবল বাংলাদেশ নয়- রীতিমতো জাতিসংঘের দলিলে পরিণত হয়েছে। এটি সারা দুনিয়ার মানুষের নজরে পড়েছে। ফলে অন্য কাউকে দোষারোপ করে আওয়ামী লীগ পার পেয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
অবশ্যই এটি বিপ্লব : জুলাই-আগস্টের এই পরিবর্তনকে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কারণে একটি ‘বিপ্লব’ আখ্যা দিতে কার্পণ্য করার সুযোগ আছে বলে মনে করি না। কেননা এই পরিবর্তন একাধারে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, চেতনার, আদর্শিক ও মূল্যবোধের। অতীতের বিভিন্ন দেশের পরিবর্তনের চিহ্নগুলো বাংলাদেশের এই পরিবর্তনের সঙ্গে অনেকাংশেই মিল রয়েছে। যারা সেটি মেনে নিতে অপারগ তারা ফ্যাসিবাদী সরকারের গুপ্ত এজেন্ট হিসেবে বিবেচিত হওয়ার যোগ্য বটে।