অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নতুন কোচ পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। দুই বছরের চুক্তিতে আজ সকালে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন লাল-সবুজের নতুন প্রধান কোচ টমাস ডুলি। ঢাকায় পা রাখার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাংলাদেশের নতুন কোচ হিসেবে সবার সামনে হাজির হলেন টমাস ডুলি।
আজ সকালে বাংলাদেশে এসে বিকেলেই তিনি যোগ দেন বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) ‘কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে। এ সময় বাফুফের নবনির্বাচিত সভাপতি তাবিথ আউয়াল আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে সবার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন।
বাফুফের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করে ঢাকায় থাকা নতুন মার্কিন কোচ টমাস ডুলি মঞ্চে দাঁড়িয়েই শোনালেন তাঁর পরিকল্পনার কথা।
ফিফা র্যাঙ্কিং নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে ডুলি বলেন, ‘আমার লক্ষ্য হলো র্যাঙ্কিং ১৬০ বা ১৫০-এর মধ্যে নিয়ে আসা। এটি রাতারাতি ঘটবে না। এটি একটি প্রক্রিয়া। আমি এই বিষয়ে একটি বইও লিখেছি—'দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট সাকসেস ইন সকার দ্যাট নো ওয়ান টিচেস'। সেখানে চারটি স্তম্ভ রয়েছে এবং যার একটি হলো মানসিকতা। মানসিকতা পরিবর্তন করা যাবে না, এটি আপনার চিন্তাভাবনার ধরন। আমাদের ফুটবল নিয়ে চিন্তা করতে হবে এবং আমাদের কী করা দরকার তা বুঝতে হবে, তাহলেই আমরা যেকোনো কিছু অর্জন করতে পারব। লক্ষ্য বাস্তবসম্মত হতে হবে। আগামীকালের মধ্যে না হলেও, হয়তো এক বছরের মধ্যে ১৬০-এর নিচে আসা বাস্তবসম্মত।’
২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর থেকে ট্রফি খরায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। জার্মানির ফুটবল সংস্কৃতির উদাহরণ টেনে বাফুফের এই নতুন কোচ গত দুই দশকের ট্রফি খরা কাটানোর তাগিদ দিয়ে বলেন, ‘আমি সবসময় আমার খেলোয়াড়দের এবং ফেডারেশনকেও বলি—আমরা যেকোনো কিছু অর্জন করতে পারি, যদি লক্ষ্যটি বাস্তবসম্মত হয়। আর আমরা গত কত বছর ধরে কিছু জিতিনি, ২৩ বছর? এখন সময় এসেছে কিছু করে দেখানোর।’