ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপির সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময়, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি, রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, এডভোকেট শিমুল বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত আছেন। ঢাকার যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এটি ২য় সভা।
এদিকে হামে আক্রান্ত হয়ে নিউমোনিয়ায় গুরুতর অসুস্থ দুই বছর বয়সী যমজ শিশু হাসান ও হোসেনের চিকিৎসা এবং সার্বিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি জাতীয় দৈনিকে “হামের পরে নিউমোনিয়া, আইসিইউতে লড়ছে ২ যমজ শিশু” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি এ উদ্যোগ নেন।
বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার মুগদা জেনারেল হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অসুস্থ শিশুদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিবারটির হাতে আর্থিক সহায়তা ও ফল উপহার দেওয়া হয়।
ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, “হাসান-হোসেনসহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্য শিশুদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে।
চিকিৎসকরা জানান, হাসান-হোসেনের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তাদের আইসিইউ থেকে জেনারেল ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে শিশুদ্বয় এখনও পুষ্টিহীনতায় ভুগছে এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. মেজবাহুর রহমান, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক (শিশু) ডা. শামীম ইবনে হালিম, ডা. মো. জহিরুল ইসলাম জহির, ডা. হাসিবুল হাসান, ডা. মো. হাফিজুর রহমানসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উল্লেখ্য, হাসান-হোসেনের বাবা একজন রাজমিস্ত্রী। তাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার একটি গ্রামে।