নিজেদের পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন বিদেশি প্রতিষ্ঠানে পণ্য রপ্তানির আড়ালে প্রায় ৪৮ লাখ মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগে বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দুই মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। তদন্তে উঠে এসেছে, একই পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততায় গড়ে ওঠা এই লেনদেনের মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে রপ্তানি মূল্য দেশে আনা হয়নি। গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজেরর আদালতে অভিযোগপত্রগুলো গ্রহণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রিয়াজ হোসেন বলেন, রপ্তানির নামে বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা পৃথক দুটি মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করেছেন আদালত। মামলার নথি অনুযায়ী, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অনুসন্ধানে জানতে পারে, বেক্সিমকো গ্রুপের অটাম লুপ অ্যাপারেলস লিমিটেড এবং পিয়ারলেস গার্মেন্টস লিমিটেডের মাধ্যমে এই অর্থ পাচার করা হয়েছে। অটাম লুপ অ্যাপারেলসের ক্ষেত্রে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিস শাখা থেকে তিনটি এলসির বিপরীতে পণ্য রপ্তানি করা হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২৮ লাখ ৩২ হাজার ৪২৮ মার্কিন ডলার দেশে আনা হয়নি।

অন্যদিকে, পিয়ারলেস গার্মেন্টস লিমিটেডের মাধ্যমে দুটি এলসির বিপরীতে পণ্য রপ্তানি করে ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার বিদেশে পাচারের অভিযোগ ওঠে। সব মিলিয়ে প্রায় ৪৮ লাখ ডলার বিদেশে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে সিআইডির তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।