রাজধানীর পল্লবীতে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকা-সহ জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থী ধর্ষণ চেষ্টাসহ সারা দেশে অব্যাহত নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদ ও অপরাধীদের দ্রুত বিচার আদালতে বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাজধানীসহ সারা দেশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগ, ইসলামী ছাত্রীসংস্থা ও ফুলকুঁড়ি আসর। এদিকে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রীর মা রীতা রানী মজুমদারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও শোক প্রকাশ এবং দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ঢাবি শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির।
রাজধানী : মেধাবী শিশু শিক্ষার্থী রামিসার নৃশংস হত্যাকারীদের প্রকাশ্য ও দ্রুত বিচারের দাবিতে গতকাল বুহসইতবার সকালে মিরপুর ১১ নং মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের পূর্ব পাশে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ঢাকা মহানগরী উত্তর (মহিলা বিভাগ) এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
ঢাকা মহানগরী উত্তর মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্যা আমেনা বেগমের সভাপতিত্বে এবং নাসরিন আকতারের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগীয় সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দিকা এমপি।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে গভীর ক্ষোভ ও শোক প্রকাশ করে বলেন, "যেভাবে মাসুম শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা অত্যন্ত বর্বর ও অমানবিক। আমরা অবিলম্বে এই ঘাতক দম্পতিকে দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি, যেন ভবিষ্যতে আর কোনো নিষ্পাপ শিশুকে এভাবে প্রাণ হারাতে না হয়।"
মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি ইয়াসমিন জলি, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য নাজমুন নাহার, নুরুন্নাহার পলি, ডিসিএন মহিলা বিভাগের আইটি সম্পাদিকা আকলিমা ফেরদৌসী, মজলিসে শূরা সদস্যা ফাতেমা আক্তার হ্যাপি ও ঢাকা বার কাউন্সিলের সদস্যা এডভোকেট ফাতেমা ইয়াসমিন মহুয়া । বক্তারা সামাজিক অবক্ষয় ও অপরাধীদের আশকারা পাওয়ার তীব্র সমালোচনা করেন এবং অবিলম্বে খুনিদের ফাঁসি কার্যকর করার জোড়ালো দাবী জানান।
মানববন্ধন থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে রামিসা হত্যা মামলাটি অনতিবিলম্বে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল এ স্থানান্তর করাসহ সরকারের নিকট ১২ দফা দাবি পেশ করা হয়। দাবিসমূহ নি¤œরূপ:
মানববন্ধনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ রামিসা হত্যাকা-ের সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মানববন্ধন শেষে মিছিল বের হয়।
চট্টগ্রাম ব্যুরো : শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী মহিলা বিভাগের উদ্যোগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ফরিদা পারভিনের সভাপতিত্বে ও নগর কর্মপরিষদ সদস্য রহিমা আক্তার রিংকুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নগর মহিলা বিভাগের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আয়েশা পারভিন ও রেহেনা আক্তার রেনু, নগর কর্মপরিষদ সদস্য রাবেয়া বেগম এবং ছাত্রী দায়িত্বশীলা শাফকাত হান্নানা ইফফাত।
“ক্রমেই আমাদের সমাজ শিশুদের জন্য অনিরাপদ হয়ে উঠছে। আমরা দেশের সর্বস্তরের মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জেগে ওঠার আহ্বান জানাচ্ছি। এভাবে একটি সভ্য সমাজ চলতে পারে না। ধর্ষক ও শিশু হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। শিশু আছিয়ার হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে রায় হলেও এখনো তা কার্যকর হয়নি, যা বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে আরও উৎসাহিত করছে।”
মানববন্ধনে বক্তারা শিশু রামিসা হত্যাকা-ের দ্রুত বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকর সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।
জাবি সংবাদদাতা: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা এবং রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকা-সহ সারাদেশে নারী নির্যাতন ও নারীর প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা জাবি শাখা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় জাকসুর কার্যকরী সদস্য ফাবলিহা জামান বলেন, আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি একটি নিরাপদ দেশের দাবিতে। আমরা চাই এমন বাংলাদেশ, যেখানে নারী ও শিশুরা ভয় ছাড়া চলাফেরা করতে পারবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজ দেশের প্রতিটি জায়গায় নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বেড়েই চলেছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রামিসার ওপর যে নির্মম হামলা হয়েছে, তা শুধু একটি ঘটনার নাম নয়; এটি দেশের ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলার প্রতিচ্ছবি। একইভাবে নিষ্পাপ শিশুদের ওপরও ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, অথচ আমরা কার্যকর বিচার দেখতে পাচ্ছি না।
তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারের কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই—মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আসলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? নিরাপদে বেঁচে থাকা আমাদের অধিকার, দয়া নয়। আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রামিসা হত্যাকা-ের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নারী বা শিশু এমন সহিংসতার শিকার না হয়। জাস্টিস ফর রামিসা, জাস্টিস ফর অল উইমেন।
জাবি শিক্ষার্থী আফরোজা বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে নারী সম্মানের সঙ্গে বাঁচবে, শিশুরা নিরাপদে বেড়ে উঠবে এবং সবাই মানবিক সমাজে বসবাস করতে পারবে।
এছাড়া আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৫২ ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং ইসলামী ছাত্রীসংস্থার সভানেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসি বলেন, । সম্প্রতি শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং বনশ্রীতে ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, আজ এদেশের নারী ও শিশুরা নিরাপদ নয়। আমরা বারবার দেখছি ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা ঘটছে, কিন্তু বিচারহীনতার কারণে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। তনু হত্যা, পূজা হত্যা কিংবা অন্যান্য বহু ঘটনার বিচার বছরের পর বছর ঝুলে আছে। ফলে সাধারণ মানুষের বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে। বহিরাগতদের অবাধ চলাচল ও দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত করছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। আমরা আর কোনো রামিসা, তনু বা পূজার লাশ দেখতে চাই না।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে ফুলকুঁড়ি আসনের মানববন্ধন
রাজধানীর পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবিতে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিশাল মানববন্ধন করেছে জাতীয় শিশুকিশোর সংগঠন ‘ফুলকুঁড়ি আসর’।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠকবৃন্দ, বিশিষ্ট শিশু সংগঠক, অভিভাবক এবং কয়েকশত শিশু-কিশোর ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে অংশ নেয়।
মানববন্ধনে আলোচকদের পক্ষ থেকে এই নৃশংস হত্যাকান্ডের দৃষ্ঠান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি করা হয়। শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধে সরকারকে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
মানববন্ধনে বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদের সহসভাপতি মাসুদ মান্নানসহ আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠকবৃন্দ এবং ঢাকার বিভিন্ন শাখার শিশুকিশোর প্রতিনিধিরা।
ঢাবি ছাত্রশিবিরের উদ্বেগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের (২০২০-২১ সেশন) শিক্ষার্থী প্রার্থনা মজুমদারের মা রীতা রানী মজুমদারকে নিজ বাসভবনে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ, শোক ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে রীতা রানী মজুমদার হত্যাকা-ের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একইসাথে শিশু রামিসাসহ সাম্প্রতিক সকল হত্যাকা-ের দ্রুত বিচার নিশ্চিত এবং দেশব্যাপী অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে ঢাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও ডাকসু এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন খান এবং সেক্রেটারি কাজী আশিক বলেন, গত ২০ মে গভীর রাতে সংঘটিত এই বর্বরোচিত হত্যাকা- দেশব্যাপী চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতিরই আরেকটি নির্মম উদাহরণ। নিজ ঘরেও আজ মানুষ নিরাপদ নয় এ বাস্তবতা রাষ্ট্র ও সরকারের চরম ব্যর্থতাকেই সামনে নিয়ে এসেছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সম্প্রতি শিশু রামিসার মর্মান্তিক হত্যাকা-সহ একের পর এক খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই ও সহিংসতার ঘটনায় দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে গভীর আতঙ্ক ও অনিরাপত্তা তৈরি হয়েছে। অথচ এসব ঘটনায় কার্যকর প্রতিরোধ, দ্রুত বিচার ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের ব্যর্থতা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে।
তারা আরও বলেন, শাহবাগ থানায় ছাত্রদলীয় সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হওয়া ডাকসু নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের অভিযোগ গ্রহণে পুলিশের গড়িমসি, মামলা নিতে অনীহা এবং এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান তদন্ত অগ্রগতি না থাকা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভেতরে বিদ্যমান পুরনো দমনমূলক ও ফ্যাসিবাদীয় সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তিকেই সামনে নিয়ে এসেছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অপরাধীদের দায়মুক্তি দেওয়ার সংস্কৃতি আজ নতুন করে জুলুম, দখলদারিত্ব ও সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং দলীয় প্রভাবের কারণে অপরাধীরা ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছে। একটি সভ্য রাষ্ট্রে নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার অভাব এবং বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করছে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ নিহত রামিসা ও রীতা রানী মজুমদারের শোকগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
পটুয়াখালী সংবাদদাতা : শিশু রামিসাসহ সারা দেশে সংঘটিত সকল ধর্ষণ, হত্যাকা- ও মব-সন্ত্রাসের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে “ডব ডধহঃ ঔঁংঃরপব ভড়ৎ জধসরংধ” শ্লোগানে পটুয়াখালীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেল ৫টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে “ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ – পটুয়াখালী জেলা”। মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিক অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ – পটুয়াখালী জেলার আহ্বায়ক তোফাজ্জেল হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তানজিলা আক্তার সিমু, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মিজানুর রহমান, ওবায়দুল হক (খোকন), আতিকুর রহমান, মোঃ রবিউল ইসলাম ও মোঃ রাসেল গাজী।
এছাড়াও সদস্য সচিব মুহাম্মাদ এমাদুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব আবু রায়হান, যুগ্ম সদস্য সচিব মোঃ জায়েদ গাজী, অরনোব হাসান ও মোঃ ফরহাদ আহমেদ রাজু উপস্থিত ছিলেন।
আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মুখপাত্র কামরুল ইসলাম, সহ-মুখপাত্র তৃণা রহমান, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ অলিউল্লাহ হাওলাদার ও সদস্য আবু বকরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।