নাটোর সদর উপজেলার বড় হরিশপুর ইউনিয়নের জয়নাগর পশ্চিম পাড়ায় ধানের কবুতর তাড়ানোকে কেন্দ্র করে রহমত আলী নামের এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে তার বৃদ্ধ বাবা-মাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বিকেলে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবা ছেলের আলাদা সংসার । বৃদ্ধ দম্পতির একমাত্র ছেলে হওয়া সত্ত্বেও বাবা মা ভাত দেয়না। অনেক কষ্টে বৃদ্ধ দম্পতি তাদের জীবন যাপন করেন। বাড়ির উঠানে রোদে দেওয়া ধান কবুতর খাচ্ছিল পাশেই স্টকে ডান সাইড প্যারালাইজড এরফান মোল্লা চেয়ারে বসে ছিলেন তার হাটার জন্য হাতে একটা বাশের কঞ্চির লাঠি ছিল তিনি বাম হাত দিয়ে কবুতর তাড়ানোর জন্য ছুরে মারে এটা তার ছেলের স্ত্রী দেখতে পেয়ে সেই বৃদ্ধাকে অকাট্ট ভাষায় গালাগালি করতে থাকেন। সেই বৃদ্ধর স্ত্রী হাজরা বেগম গালাগালি করতে নিষেধ করেন এক পর্যায় তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়ে যায়। স্থানীয়রা দুজনকেই থামতে বলেন। বিকেলে এরফান মোল্লার ছেলে বাসায় আসলে পুনরায় আবার ঝগড়া শুরু হলে রহমত মোল্লা তার বাবার ঘরের বিদ্যুতের সংযুক্তি কাটতে যান। বিদ্যুতের সংযুক্তি কাটতে নিষেধ করেন তার বাবা মা তার কাটতে বাধা দিতে স্টকে প্যারালাইজড এরফান মোল্লা এগিয়ে গেলে বৃদ্ধ দম্পত্তির একমাত্র ছেলে বাবাকে আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেয় এবং আবারো আঘাত করার জন্য তেরে আসলে বৃদ্ধার স্ত্রী বাধা দিতে গেলে তার হাতে থাকা কাটিং প্লাস দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন এতে সেই হাজরা বেগমের বাম হাতের কনইসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান ও মারাত্মক যখন হয়। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহত অবস্থায় বাবা-মাকে উদ্ধার করেন। বর্তমানে তারা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশীরা অভিযুক্ত রহমত আলী ও তার স্ত্রীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা বিষয় টা শুনেছি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।