ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিয়ে শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় পিকিং ইউনিভার্সিটি ও ডাকসুর দ্বিপাক্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) ডাকসু জিএস এসএম ফরহাদের ফেসবুক পেইজে দেয়া পোস্টে এ খবর জানানো হয়।

পোস্টে ডাকসু জিএস বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে চীনের তরুণদের শিক্ষা, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), গবেষণা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ে যৌথ সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তাব উপস্থাপন করেছি।

ডাকসু, পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্রনেতৃবৃন্দ এবং চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে সভায় চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থান পায়:

১. তরুণ প্রজন্ম কীভাবে নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনাকে ধারণ ও বিকশিত করতে পারে,

২. পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হওয়ার অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রম,

৩. বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তরুণদের নেতৃত্বগুণ, দেশপ্রেম, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের উপায়,

৪. হাজার বছরের চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে দুই দেশের তরুণদের যৌথ উদ্যোগ ও সহযোগিতার সম্ভাবনা।

এছাড়া উচ্চশিক্ষায় স্কলারশিপ সুবিধা বৃদ্ধি, গবেষকদের জন্য গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণ, পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা সেন্টার স্থাপন এবং বাংলাদেশ ও চীনের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে একাডেমিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আমরা প্রস্তাবনা দিয়েছি।

পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা ডাকসুর পক্ষ থেকে উত্থাপিত প্রস্তাবসমূহকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও চীনের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আরও বিস্তৃত সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সমন্বয় গড়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।