স্টাফ রিপোর্টার
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
গতকাল রোববার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করার লক্ষ্যে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে এ আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনা দেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৈঠকে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ সফল করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। লংমার্চকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিভাগের প্রস্তুতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা করেন নেতৃবৃন্দ।
বৈঠকে জানানো হয়, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চ শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সমাবেশ ও লংমার্চ সফল করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবি আদায় এবং ঘোষিত ছয় দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লংমার্চকে সফল করতে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এ জন্য দেশবাসীকে লংমার্চে শামিল হয়ে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ ও মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও অফিস সেক্রেটারি মাওলানা আ ফ ম আব্দুস সাত্তার ও মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান।
এছাড়া কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মো. কামাল হোসেন এমপি, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, মু. আতাউর রহমান সরকার, এনডিএফ নেতা ডা. মাহমুদ হোসেন, শিল্পী সাইফুল্লাহ মানছুর, ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, ডা. জিএম ফারুকসহ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক, প্রচার, আইটি, চিকিৎসা বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।