তিন
আজকের এ কলামটি লেখার যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম তখন একটি টিভি চ্যানেলে বাংলাদেশে ইরানী রাষ্ট্রদূতের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হচ্ছিল। সাক্ষাৎকারে ইরানী রাষ্ট্রদূত আক্ষেপ করে বলছিলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় তার দেশের সর্বোচ্চ নেতা শহীদ হয়েছেন এবং ইরানী সেনাবাহিনীর অনেক সদস্য ও নিরীহ ছাত্রছাত্রী নিহত/আহত হয়েছেন। তারা আশা করেছিলেন যে অন্যান্য মুসলিম দেশের ন্যায় বাংলাদেশও তাদের সাথে যোগাযোগ করবেন, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিন্দা করবেন, সহানুভূতি জানাবেন এবং দূতাবাসে রক্ষিত শোক বইতে স্বাক্ষর করবেন। কিন্তু বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ছাড়া আর কেউ তার সাথে যোগাযোগ করেননি অথবা সমবেদনা জানাননি। তার ভাষায় ইরান আগ্রাসনের শিকার, এই হিসেবে তারা নিন্দা জানাতে পারতেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরাও এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী এই বলে তার সাক্ষাৎকারটি শেষ করেন যে, যুদ্ধ একদিন শেষ হয়ে যাবে তবে আমাদের সাথে কৃত বিভিন্ন দেশের আচরণগুলো আমাদের মনে থাকবে। তার এ মন্তব্যটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং যদি সত্য হয় খুবই দুঃখজনক।
ইহুদীবাদী পাশ্চাত্য শক্তির কাছে ইরান একটি ত্রাস, ইসলামী পতাকাবাহী একক একটি শক্তি যারা পরমাণু শক্তিধর দেশগুলোর আজ্ঞাবাহী একটি রাজশক্তিকে উৎখাত করে গণঅভ্যুত্থান ও তারপর গণভোটে শতকরা ৯৮ ভাগ গণরায় নিয়ে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে এবং গত প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে তা টিকিয়ে রেখেছে। তারা দুনিয়ার মুসলমানদের জন্য একটি গর্ব। শুধু জাগতিক শক্তি নয়, ইরানের আধ্যাত্মিক শক্তির কাছে মাথানত করে যুক্তরাষ্ট্র এখন যুদ্ধবিরতি প্রার্থনা করছে।
এবার মূল আলোচনায় আসি। ইরানে রাজনৈতিক দল ও সমিতি, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংস্থা গঠন ও পরিচালনা সম্পূর্ণভাবে বৈধ বলে বিবেচিত হবে। সকল মাজাহাবের অনুসারীসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তাদের নিজ নিজ ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবেন, তবে এমন কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন না যা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্য ও সংহতি, ইসলামী মূল্যবোধের মানদণ্ড এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত বা দুর্বল করে। সংবিধানের ২৬নং অনুচ্ছেদে এই গ্যারান্টি দেয়া হয়েছে এবং রাজনৈতিক ও পেশাভিত্তিক দল ও সমিতিসমূহে যোগদানের ব্যাপারে রাষ্ট্র যেমন কাউকে বাধা প্রদান করবে না তেমনি কারোর ওপর জবরদস্তিও আরোপ করবে না। ২৭নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনগণ ও তাদের দল বা সমিতি স্বাধীনভাবে কোনো প্রকার অস্ত্র বহন ছাড়াই মিটিং-মিছিলের আয়োজন ও পরিচালনা করতে পারবে কিন্তু রাষ্ট্রের ইসলামী ভিত্তির ওপর আঘাত করা যাবে না বা তাকে লংঘন করা যাবে না। সংবিধানের ২৮নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনগণ তাদের পছন্দ অনুযায়ী যে কোনো পেশা, কর্মসংস্থান বা ব্যবসায় গ্রহণ করতে পারবে তবে শর্ত হচ্ছে এই এসব পেশা ইসলামী আইন ও মূল্যবোধের দৃষ্টিতে অনৈতিক জনস্বার্থ পরিপন্থী বা নাগরিকের অধিকার হরণ করতে পারবে না। সরকার সামাজিক চাহিদা অনুযায়ী সকল শ্রেণির মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা সৃষ্টি করবেন এবং তার সৃষ্ট সুযোগ-সুবিধা সকল নাগিরক বৈষম্যহীনভাবে প্রাপ্য হবেন। অনুচ্ছেদ ২৯ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক সামাজিক নিরাপত্তা পাবার অধিকারী হবেন। এ নিরাপত্তার মধ্যে রয়েছে অবসর ভাতা, বয়ষ্ক ও বেকার ভাতা, কর্মচ্যুত করা হলে তার ক্ষতিপূরণ, অসহায় ও অভিভাবকহীনদের ভরণ-পোষণ, সাময়িক দুর্যোগ-দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ এবং স্বাস্থ্য বীমা প্রভৃতি। আইন অনুযায়ী সরকার তার রাজস্ব বাজেট থেকে তার নাগরিকদের উপরোক্ত সুবিধাবলী দিতে বাধ্য থাকবেন। ৩০নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকার ইরানী ছেলেমেয়েদের জন্য বিনামূল্যে মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেছেন এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগও তার (সরকারের) সমার্থ্য অনুযায়ী বিনামূল্যে সম্প্রসারণ করবেন।
৩নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রত্যেক ইরানী নাগরিক ও পরিবার তার বা তাদের চাহিদা উপযোগী বাসস্থান প্রাপ্য হবেন। এক্ষেত্রে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের বেলায় কৃষক মজুর ও দরিদ্র ব্যক্তি এবং পরিবারগুলো প্রাধান্য পাবে। ৩২নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইনে বর্ণিত সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ব্যতীত কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা যাবে না। যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয় তাহলে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তথা গ্রেফতারের কারণ বর্ণনা করে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে। পাশাপাশি উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রেফতার ও অভিযোগ সংক্রান্ত যাবতীয় ডকুমেন্টও প্রেরণ করতে হবে যাতে করে অবিলম্বে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা যায়। অনুরূপভাবে ৩৩নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনি বিধান বহির্ভূতভাবে কোনো ব্যক্তিকে তার বাসস্থান থেকে উৎখাত, তার পছন্দের এলাকায় বসবাসে বাধাদান কিংবা জোর করে কোনো স্থানে বসবাসে বাধ্য করা যাবে না। ৩৪নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ইনসাফ হচ্ছে যে কোনো নাগরিকের অলংঘনীয় অধিকার। ইনসাফের অনুসন্ধানে তারা উপযুক্ত আদালত খুঁজে নিতে পারবেন। নিজ নিজ নাগালের মধ্যে আদালতের আশ্রয় অনুসন্ধানের বেলায় তাদের কেউ বাধা দিতে পারবে না। ৩৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মামলার উভয়পক্ষ নিজ নিজ আইনজীবী নির্বাচন করতে পারবেন। যদি কোনো বাদী বা বিবাদী আর্থিক সামর্থ্যরে অভাবে আইনজীবী নিয়োগ করতে না পারেন তাহলে আদালত সরকারিভাবে তার বা তাদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগের ব্যবস্থা করবেন। ৩৬নং অনুচ্ছেদে গ্যারান্টি দেয়া হয়েছে যে আইনি প্রক্রিয়ার অধীনে উপযুক্ত আদালত ছাড়া কাউকে কোনো প্রকার শাস্তি দেয়া যাবে না অথবা শান্তি কার্যকর হবে না।
৩৭নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উপযুক্ত আদালতে অপরাধী প্রমাণিত হবার আগে কাউকে অপরাধী বলা যাবে না এবং ৩৮নং অনুচ্ছেদে অপরাধ স্বীকার করানো কিংবা কোনো প্রকার তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের ওপর নির্যাতন আরোপ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৩৯নং অনুচ্ছেদে গ্রেফতারকৃত নির্বাসিত অথবা আইনের আওতায় আনা কোনো ব্যক্তির সম্মানহানি করা কিংবা তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করা (মিডিয়া ট্রায়াল) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আবার ৪০নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, জনস্বার্থে বিঘ্ন ঘটিয়ে কউকে কোনো কিছু করতে বাধ্য করা, চাপ দেয়া বা প্ররোচিত করার লক্ষ্যে কোনো ব্যক্তি তার নিজের ক্ষমতা পদপদবী বা অধিকারের অপব্যবহার করতে পারবে না। ৪১নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ইরানী নাগরিকত্ব সম্পূর্ণভাবে সুনিশ্চিত ও তর্কাতীত বিষয়, সরকার কোনো ইরানী নাগরিককে তার নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না। তবে অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণের জন্য কেউ যদি স্বেচ্ছায় নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করে তবে ভিন্ন কথা। ৪২নং অনুচ্ছেদে আইনি সীমার মধ্যে বিদেশিদের জন্য ইরানী নাগরিকত্ব গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ধরনের ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব শুধু তখনই কেড়ে নেয়া যাবে যখন তারা আবেদন করবে অথবা অন্যকোনো সরকার নাগরিক হিসেবে তাদের গ্রহণ করবে।
ইরানী সংবিধানের চতুর্থ পরিচ্ছেদে দেশের অর্থনীতি এবং অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। ৪৩নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, ইরানী সমাজের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন, দারিদ্র্য ও বঞ্চনার মূল্যোৎপাটন এবং মানবিক স্বাধীনতার সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রক্রিয়ার মাধমে মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য অর্জনের মাপকাঠি হবে নিম্নরূপ :
(১) সকল নাগরিকের জন্য অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার ব্যবস্থা ও একটি পরিবারের প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা।
(২) প্রত্যেক কর্মক্ষম নাগরিকের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ ও পরিবেশ সৃষ্টি যাতে করে তারা সরকারের কাছ থেকে সুদমুক্ত ঋণ বা মূলধন নিয়ে নিজেরাই সমবায় সমিতি গঠন বা অন্য কোনো দল বা গ্রুপের মাধ্যমে উৎপাদন ও কর্মসংস্থানমূলক কাজে সম্পৃক্ত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে পুঁজি বা সম্পদ যাতে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিশেষের হাতে কেন্দ্রীভূত হতে না পারে এবং সরকারও একক নিয়োগদাতায় রূপান্তরিত না হয় তার দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও প্রবৃদ্ধির প্রত্যেকটি স্তরে এ পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে হবে।
(৩) জাতীয় অর্থনীতির জন্য এমন ধরনের পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে যাতে তার আকার আকৃতি উপাদান এবং কার্যকালীন সময় এমন হয় যে, তারা পরিবারকে সময় দেয়াসহ অন্যান্য কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় ও শক্তি পায়। এ সময় তারা পড়াশোনা, বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা, রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিকাশ প্রভৃতি কাজে ব্যয় করবে যাতে করে তাদের ব্যক্তিগত দক্ষতা ও সৃজনশীলতার উন্নতির পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে জাতীয় উন্নতির ধারাও ত্বরান্বিত হয়।
(৪) স্বাধীনভাবে পেশা নির্বাচনের অধিকারকে সম্মান করা এবং জবরদস্তি শ্রম আদায় অথবা শোষণমূলক তৎপরতা রোধ করতে হবে।
(৫) ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে কাউকে আঘাত করা, তার ক্ষতিসাধন, একচেটিয়া ব্যবসায়, গুদামজাতকরণ, সুদী ব্যবসায়, মদ, জুয়া এবং শরিয়ার দৃষ্টিতে ক্ষতিকর সব প্রথা নিষিদ্ধ থাকবে।
(৬) ভোগ বিনিয়োগ উৎপাদন, বিপণন এবং সেবা অর্থনীতির সর্বক্ষেত্রে অপব্যয়-অপচয় নিষিদ্ধ থাকবে।
(৭) অর্থনীতির প্রয়োজনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের লক্ষ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।
(৮) অর্থনীতির ওপর বিদেশি আধিপত্য রোধ।
(৯) দেশকে স্বনির্ভর ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে কৃষি গবাদি পশুসহ শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধির ওপর জোর দিতে হবে যাতে জনগণের চাহিদা পূরণ সহজতর হয়।
অনুচ্ছেদ ৪৪-এ বর্ণিত হয়েছে যে, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের অর্থনীতি তিনটি খাত নিয়ে গঠিত হবে। খাতগুলো হচ্ছে : সরকারি বা রাষ্ট্রায়াত্ত খাত এবং সমবায় খাত যা ধারাবাহিক ও সুষ্ঠু পরিকল্পার ভিত্তিতে গড়ে উঠবে। সকল বৃহৎ ও মৌলিক শিল্প বৈদেশিক বাণিজ্য, প্রধান প্রধাদন খনিজ শিল্প, ব্যাংক, বীমা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ড্যাম ও বৃহৎ সেচ প্রকল্পসমূহ রেডিও-টেলিভিশন, ডাক, তার, টেলিফোন, নৌপরিবহন, রেল ও সড়ক যোগাযোগ প্রভৃতি সরকারি খাতের অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় সেগুলো পরিচালিত হবে। সমবায় সমিতিসমূহ, কোম্পানি ও ব্যবসায়িক সংস্থা যারা শহর ও পল্লী এলাকায় প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদন ও বিপণনের সাথে সংশ্লিষ্ট তাদের নিয়ে সমবায় খাত গঠিত হবে এবং ইসলামী মূলনীতির ভিত্তিতে এ খাত পরিচালিত হবে। বেসরকারি খাত কৃষি উৎপাদন, গবাদিপশু পালন, শিল্প ও সেবাধর্মী কার্যক্রমের সাথে জড়িত থাকবে এবং সরকারকে সহযোগিতা করবে। দেশের প্রচলিত আইন এ তিনটি খাতের মালিকানাকে সুরক্ষা প্রদান করবে তবে শর্ত হচ্ছে, এ খাতগুলোর কোনোটিরই মালিকানা ইসলামী আইন ও অনুশাসনের সীমা অতিক্রম করতে পারবে না। বলাবাহুল্য, সরকার এই তিনটি খাতের সুনির্দিষ্ট আওতা নির্ধারণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও সংস্কারের পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। (চলবে)