বাগেরহাট সংবাদদাতা : বাগেরহাটে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও বেষম্যবিরোধী ছাত্র নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অসম্মান জনক আচরণ, অসহযোগিতা ও হয়রানির অভিযোগ করেছেন। সম্প্রতি বাগেরহাট প্রেসক্লাবে জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত ৫ শহীদ পরিবারের সদস্য ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতৃবৃন্দ বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে শহীদ পরিবারের সদস্য ও ছাত্র প্রতিনিধিরা বলেন, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান বাগেরহাটে যোগদানের পর থেকেই শহীদ পরিবার ও ছাত্র প্রতিনিধিদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। এমনকি বিগত আওয়ামীলীগ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলাকারী আসামি ও আওয়ামী লীগ কর্মীদের নিয়ে স্টেডিয়ামের বিভিন্ন প্রোগ্রাম সহ আইন-শৃঙ্খলা সভা চালিয়ে যাচ্ছেন। জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান ছাত্র প্রতিনিধিদের হুমকি দিয়ে বলেছেন, ‘এই সরকারের মেয়াদ শেষ, তোমরা পালাবার পথ খোঁজ।’ এমনকি অন্য জেলার জেলা প্রশাসকের সহায়তার কথা তুলে ধরলে তিনি বলেন, ওই জেলার জেলা প্রশাসকরাতো চাঁদাবাজী করেন।” এভাবে তিনি জুলাই বিল্পবের শহীদ পরিবারের সদস্য ও ছাত্র প্রতিনিধিদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও হুমকি-ধামকি দিয়ে যাচ্ছেন। শহীদ পরিবার ও ছাত্র প্রতিনিধিগণ অতি দ্রুত বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমদ কামরুল হাসানকে অপসারণের দাবি জানান। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, জুলাই বিপ্লবে শহীদ মংলার শাহিন হাওলাদারের স্ত্রী মোসাঃ রিক্তা বেগম ও তার শিশু সন্তান, শহীদ মাহফুজের পিতা আব্দুল মান্নান ও তার মা, শহীদ বিপ্লবের পিতা পারভেজ শেখ, শহীদ ছাব্বিরের বোন শারমীন আক্তার, শহীদ আলমগীর মোল্লার স্ত্রী ও ছেলে সাগর মোল্লা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক এস, এম সাদ্দাম হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মাশরাফি, সদস্য সচিব আজরীন আরবী নওরীন, যুগ্ম সদস্য সচিব এসকে বাদশা, নাগরীক কমিটির সদস্য জাহিদুল ইসলাম পলাশ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।