কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) সংবাদদাতা : কেরানীগঞ্জে সাবেক স্বামীকে বিবাহে চাপ প্রয়োগ করার ক্ষোভের কারণে বিথি আক্তার (২৪) কে হত্যা করা হয়।
কেরানীগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার ঘটনার রহস্য উদঘটন, আসামী মহিউদ্দিন হাওলাদার (৩২) ওরফে শিমুলকে জুরাইন থেকে গ্রেফতার করেছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। এক ব্যক্তিই ট্রিপল মার্ডার এর ঘটনা ঘটিয়েছে। সাবেক স্ত্রীর খেলনা তৈরির কারখানার চাকরি করতেন আসামী মহিউদ্দিন শিমুল। পূর্বের ক্ষোভ বিবাহের চাপ প্রয়োগের কারণে বিথিকে হত্যা করে, হত্যার ঘটনা দেখে ফেলায় চার বছরের শিশু সন্তান রাফসান (৪) কে গামছা পেঁচিয়ে গলায় শ্বাসরোধ, পরে সাবলেট ভাড়াটিয়া সালমা আক্তার নুপুর (২৫) হত্যার ঘটনা দেখে চিৎকার করে উঠলে তাকেও শ্বাসরোধ করে হত্যার করে এ পাষন্ড আসামী মহিউদ্দিন ওরফে শিমুল।
সোমবার বিকেলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে থানায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে এতথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেরাণীগঞ্জ সার্কেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, গত ২৬ এপ্রিল কালিগঞ্জ মাকসুদা গার্ডেন সিটির সামনে পাকা রাস্তার পাশে একটি সাদা প্লান্টিকের বস্তার ভিতরে অজ্ঞাতনামা মহিলার খন্ডিত মৃতদেহ পাওয়া যায়। এর একদিন পর সদরঘাট নৌপুলিশ বুড়িগঙ্গা ব্রিজের নিচ থেকে পলিথিনের ভিতর মোড়ানো আরো কিছু হাত পা ও দেহের অংশ বিশেষ উদ্ধার করে। এতে কেরানীগঞ্জে মানুষের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ এর তত্ত্বাবধায়নে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার একটি চৌকস পুলিশ টিম এসআই ইবনে ফরহাদ, এসআই জহুরুল ইসলাম, এসআই কামরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ মামলার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য ঘটনাস্থলের পাশে থাকা একটি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার রহস্য উদঘটনে কাজ শুরু করে। চাঞ্চল্যকর ঘটনার সহিত জড়িত মহিউদ্দিন ওরফে শিমুলকে আটক করে। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী গতকাল ২৭ এপ্রিল রাতে আরো দুজনের মৃতদেহ প্লাস্টিকের বস্তায় পেঁচানো বেয়ারা জঙ্গল এর ভিতর থেকে অংশ উদ্ধার করা হয়।