ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি জানান, বিজয় একাত্তর হল, রুম পদ্মা ৬০০৬। রেজাল্ট হলো আজ। তাই আজই অফিশিয়ালি হল ছেড়ে দিলাম।
বুধবার ( ২০ মে) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ফেসবুক পোস্টে তিনি একথা উল্লেখ করেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, বিদায় বিজয় একাত্তর হল, পদ্মা ৬০০৬, রেজাল্ট হলো আজ। তাই আজই অফিসিয়ালি হল ছেড়ে দিলাম। হলে উঠেছিলাম ২০২৪-এ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে। আর আজ হল জীবন শেষ করলাম।
সাজ্জাদ পোস্টে আরও লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড়ো সমস্যা হলো সিট সমস্যা। এই সিট সমস্যাকে পুঁজি করেই ক্ষমতাসীন দল জন্ম দেয় গণরুম, গেস্টরুমের। তাই ইসলামী ছাত্রশিবিরের জায়গা থেকে শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার হচ্ছে—সিট সমস্যা সমাধান করা। আর এরজন্য প্রয়োজন, হলে থাকবে কেবল নিয়মিত শিক্ষার্থীরাই—এই নীতিমালার শতভাগ নিশ্চিত করা।
ব্যাচকে বিদায় জানিয়ে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসাইন খান। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি জানান, ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রজীবনের সমাপ্তি ঘটেছে।
পোস্টে তিনি লেখেন, “রেজাল্ট হলো আজ। তাই আজই অফিশিয়ালি হল ছেড়ে দিলাম। হলে উঠেছিলাম ২০২৪-এ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর। আর আজ হল জীবন শেষ করলাম।”
এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে ‘সিট সংকটের’ বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ক্ষমতাসীন ছাত্রদল দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যাকে পুঁজি করে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছে। তবে নতুন প্রশাসনের কাছে সিট সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান তিনি।
পোস্টের শেষাংশে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য শতভাগ সিট নিশ্চিত করার আহ্বানও জানান সাজ্জাদ হোসাইন খান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।