ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কারণে দেশ আওয়ামী ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু সরকার পরিবর্তনের জন্য হয়নি। এর মূলে ছিল ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা ঠেকাতে সংবিধান সংস্কার। গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদকে উপেক্ষা করে আরেকটি ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার দিকে হাঁটছে। যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের সাথে প্রতারণার শামিল। দেশ প্রেমিক ছাত্র জনতা বেঁচে থাকতে দেশে আর কাউকে ফ্যাসিস্ট হতে দেয়া হবেনা। গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আজও দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট মহানগর ১১ দলীয় ঐক্যের প্রস্তুতি সভায় বক্তাগণ এ কথা বলেন। সিলেট মহানগর ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে, বন্দরবাজারস্থ মহানগর জামায়াত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় ১১ দলের মহানগর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় শনিবার বিকেল ৫টায় নগরীর কোর্ট পয়েন্টে সিলেট মহানগর ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল সফল করার জন্য সিলেটবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তারা।

সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সিলেট মহানগর আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুর রহমান আফজল, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ নিজাম উদ্দিন, সদস্য সচিব কামরুল হাসান আরিফ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা এমরান আলম, জেলা সভাপতি মাওলানা মোঃ ইকবাল হছাইন ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মো: ফখরুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সিলেট মহানগর সহ-সভাপতি আব্দুল হান্নান তাপাদার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গাফফার ও সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মনজুরে মাওলা, বাংলাদেশ লেবারপার্টির সিলেট মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির মহানগর সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন লিটন, সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা নুরুল আমীন, এবি পার্টির সিলেট মহানগর আহ্বায়ক মো. ওমর ফারুক, জাগপা সিলেট মহানগর সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।