একটি দেশের সরকার সেই দেশের রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম উপাদান। দেশ যেমনই হোক না কেন সেই দেশের সরকার যদি ঠিকভাবে এবং তাদের গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী চলতে না পারে তাহলে দেশের উন্নয়ন সঠিকভাবে হয় না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হলেও তা হয় মন্থর গতিতে। নতুন সরকার গঠনের পর বিগত তিন মাসের সরকারের কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে ধারণা করা হচ্ছে বর্তমান সরকার দৃশ্যমান পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে যেখানে বিশেষ কোনো অর্থের প্রয়োজন নেই, বরং সদিচ্ছা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রয়োজন।
সরকারের আরো কিছু পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানাগুলোর বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের উদ্যোগ, প্রবাসীদের বিশেষ সুবিধা প্রদান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান, উদ্যোগী হওয়ার জন্য জনগণকে আগ্রহী করে তোলা ইত্যাদি। পদক্ষেপগুলো যদি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয় তাহলে জনগণ লাভবান হবে। সাময়িক সমস্যাগুলো থেকে পরিত্রাণ পাবে দেশের মানুষ। ভবিষ্যতের সমস্যার সমাধান না হলেও অন্তত বিগত সময়ে যে সমস্যার সম্মুখীন তারা হয়েছিলো সেইগুলোর সমাধান মিলবে।
আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষই এখনো গরিব। এজন্য যদি অর্থনৈতিক দিক থেকে তাদের গতি ফেরানো যায় তাহলে তারা সম্পূর্ণ সাবলম্বী না হলেও অর্থের অভাবে অনাহারে দিন কাটাবে না।
অর্থের অভাবে কারোর পড়াশোনা আটকে থাকবে না। বৈদেশিক ঋণের চাপ কমানো নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। এই ক্ষেত্রে সরকার সুপরিকল্পিত উপায়ে ঋণমুক্ত হওয়ার জন্য কাজ করার চেষ্টা করছে।
দেশের মানুষ বাহ্যিক ও অভিনব সমস্যা থেকে পরিত্রাণ না পেলেও প্রচলিত সমস্যা থেকে যেন মুক্ত হয় বর্তমান সরকার এই ক্ষেত্রে কাজ করবে বলে দেশের সাধারণ জনগণ আশাবাদী।
সুতরাং সরকারের নেওয়া পদক্ষেপসমূহ যেন বাস্তবে কার্যকরী হয় সেটিই আমাদের সকলের প্রত্যাশা।