জসিম উদ্দিন মনছুরি

পৃথিবীর অনেক দেশ নিজেদের রক্ষার জন্য আঞ্চলিক কিংবা অন্যান্য জোটে যুক্ত হয়েছেন। মুসলিমদের জন্য একটি জোট রয়েছে ওআইসি। যা তেমন একটা কার্যকরী জোট নয়। ইউরোপসহ বেশ কিছু দেশ ন্যাটোর সাথে যুক্ত আছে। ন্যাটোর সাথে যুক্ত একমাত্র মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক। নিজেদের সামরিক শক্তি জোরদার করতে দেশগুলি বিভিন্ন জোটে অংশগ্রহণ করে থাকেন। জোটে যুক্ত হওয়া দেশগুলির লক্ষ্য থাকে শত্রুর আক্রমণ মোকাবেলা করা। ইরান ও আমেরিকার যুদ্ধে ইতোমধ্যে বিভিন্ন জোট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হয়েছেন পৃথিবীর তিন শক্তিশালী দেশ তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান। চুক্তির প্রধান শর্ত হচ্ছে সামরিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যত্বে বহিশত্রুর আক্রমণ হলে জোটভুক্ত দেশগুলি একত্রে শত্রু মোকাবেলা করবে। এই জোটকে ঘিরে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। পাকিস্তান মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হওয়ায় ভারত ইতোমধ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। উল্লেখ্য, পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করতে গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, স্বাক্ষরকারী তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করতে গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির ( (Mecca Joint Defence Agreement) ) মূল লক্ষ্য হলো স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মধ্যে সম্মিলিত নিরাপত্তা জোরদার করা এবং অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ: সম্মিলিত প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা: ন্যাটো চুক্তির পঞ্চম ধারার ((Article 5) আদলে এই চুক্তি করা হয়েছে। এর নিয়ম অনুযায়ী, তিন দেশের (সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান) যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা তিন দেশের সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। আগ্রাসন মোকাবিলা: যেকোনো ধরনের বাহ্যিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি: তিন দেশের সামরিক সক্ষমতা, প্রযুক্তি ও জনবল ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়ন। এর মধ্যে সৌদি আরবের আর্থিক সহায়তা, তুরস্কের উন্নত সামরিক প্রযুক্তি এবং পাকিস্তানের সম্মুখসারির সামরিক জনবল ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।অঞ্চল ও এর বাইরে স্থিতিশীলতা: মধ্যপ্রাচ্য ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাতের মুখে নিজেদের আত্মরক্ষা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি (বা মক্কা চুক্তি) হলো সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ত্রিপক্ষীয় সম্মিলিত প্রতিরক্ষা চুক্তি। চুক্তির মূল বৈশিষ্ট্য স্বাক্ষরের তারিখ ও স্থান: ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় আল-সাফা রাজপ্রাসাদে এটি স্বাক্ষরিত হয়। যৌথ প্রতিরক্ষা অঙ্গীকার: ন্যাটো জোটের বিখ্যাত ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের আদলে এই চুক্তিতে বলা হয়েছে—এই তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা তিন দেশের সবার ওপরই হামলা বলে গণ্য হবে। সহযোগিতার ধরন: এই চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরব প্রতিরক্ষা প্রকল্পে অর্থায়ন করবে, তুরস্ক উন্নত প্রযুক্তির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ করবে এবং পাকিস্তান সম্মুখ সমরে জনবল বা সামরিক সহায়তা দেবে। ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব: মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে মার্কিন সুরক্ষার বাইরে এসে এই মধ্যম শক্তির দেশগুলো নিজেদের সম্মিলিত নিরাপত্তার জন্য এই জোটে আবদ্ধ হয়েছে।একে অনেকে নতুন “ট্রিপল অ্যালায়েন্স” বা “সুন্নি নিরাপত্তা ত্রিভুজ” হিসেবে অভিহিত করছেন।

২৬ আগস্ট এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে (প্যাক্ট) যোগ দেওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে চুক্তিভুক্ত সদস্য দেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর। তারা বাংলাদেশকে এ চুক্তিতে (প্যাক্টে) নেওয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করলে বাংলাদেশ নিশ্চয়ই এটাকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।২৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানান। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মিলে মক্কা প্যাক্ট সই করেছে। তিনি জানতে চান ওই প্যাক্টে যুক্ত হলে বাংলাদেশের সুবিধাটা কী হবে?জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘এ প্যাক্ট তিনটি দেশের মধ্যে হয়েছে। এ প্যাক্টটিকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। এতে যোগদান বা যোগদান না করার বিষয়টি এখনো আসেনি, কারণ এটা নির্ভর করছে প্যাক্টের সদস্যদের অভিপ্রায়ের ওপর। তারা যদি বাংলাদেশকে এ প্যাক্টে নেওয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করে, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই এটাকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তার আগে এর (প্যাক্ট) ভালো—মন্দ নিয়ে আলোচনা করাটা, সম্ভবত এখনো সে সময় আসেনি। আমরা নিশ্চয়ই এসব বিষয় বিবেচনা করব। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে একটা কথা, এ প্যাক্ট যদি বিস্তৃত হয়, এটা হচ্ছে বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা। এটা আমাদের পরিবার। এটা মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তা নিয়ে কারও, অন্যান্যদের উদ্বেগের অবকাশ নেই।’

মক্কা চুক্তিতে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। ২৬ আগস্ট ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়। দেশ ও জাতির প্রয়োজন এবং স্বার্থে বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাতে অন্য কারও শ্বাসকষ্টে ভোগার প্রয়োজন নেই।

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সই হওয়া ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বা মক্কা ডিফেন্স প্যাক্ট নিয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক মনোভাব ও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো অগ্রগতি বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশ্ন তোলা হয় যে মক্কা চুক্তিতে ঢাকার যোগদানের সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশের উপ-পররাষ্ট্রসচিব হুমায়ুন কবির এবং পরবর্তীতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন। এ বিষয়ে ভারতের প্রতিক্রিয়া কী? জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশ যদি ওই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হতে চায়, তবে সেটি ঢাকার নিজস্ব সিদ্ধান্ত। এ ধরনের সিদ্ধান্ত অন্য কোনো দেশের জন্য অহেতুক অস্বস্তির কারণ হওয়া উচিত নয়। তবে আঞ্চলিক কৌশলগত অবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরে মুখপাত্র স্পষ্ট করেন, ভারতের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন যেকোনো আন্তর্জাতিক বা আঞ্চলিক ভৌগোলিক পরিস্থিতি নয়াদিল্লি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে। দেশের সীমান্ত ও নিরাপত্তা সুসংহত রাখতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশের মক্কাচুক্তিতে কেন যুক্ত হওয়া প্রয়োজন? বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীন হলেও প্রতিবেশী রাষ্ট্র সমূহের দ্বারা বারবার শোষিত হয়ে আসছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত বরাবরই বাংলাদেশের উপর নিজেদের কর্তৃত্ব আরোপ করে আসছে। এছাড়া মাঝেমধ্যে মায়ানমারও মাথা চাড়া দিয়ে উঠে। ভারত সব সময় বাংলাদেশকে নিজেদের করায়ত্ত্বে রাখতে তাদের কর্মপন্থা ও কৌশল অবলম্বন করে থাকে। তারা বিগত ১৬ বছর আওয়ামী লীগকেই ক্ষমতায় রেখে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে ব্যাপক সুবিধাদি লাভ করেছিল। মূলত তখন বাংলাদেশ ভারতের একচেটিয়া বাজারে পরিণত হয়। অসম আমদানি রপ্তানি। উচ্চমূল্যে ভারত থেকে আমদানি করতে হতো বাংলাদেশকে। ভারতের সাথে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও ফারাক্কা চুক্তি নিয়ে ভারত কখনো বাংলাদেশের সাথে সমতার ভিত্তিতে আগায়নি। এছাড়া যে কোন বিষয়ে ভারত বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে থাকে। এমনকি ভারতের কতিপয় নেতার নগ্ন হস্তক্ষেপের কথা উঠে আসে তাদের বক্তব্য। তারা বাংলাদেশকে নিজেদের অঙ্গরাজ্য হিসেবে দাবি করে আসছে। ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) এবং ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা ও ব্যক্তি বিভিন্ন সময় ‘অখণ্ড ভারত’ (আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশসহ বৃহত্তর ভারতবর্ষ)-এর ধারণা বা পুনর্বিন্যাসের পক্ষে মন্তব্য করেছেন। উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ: মোহন ভাগওয়াত: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) বর্তমান প্রধান বা সরসংঘচালক। তিনি বিভিন্ন বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন যে ভারতের চেতনা অখণ্ড এবং পারিপার্শ্বিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের ভিত্তিতে অখণ্ড ভারতের ধারণা বাস্তবসম্মত হতে পারে। ইন্দ্রেশ কুমার: আরএসএস-এর কার্যনির্বাহী কমিটির নেতা। তিনি অতীতে দাবি করেছিলেন যে ভবিষ্যতে পাকিস্তান বা আশেপাশের অঞ্চলগুলোর সাথে ভারতের সাংস্কৃতিক বা রাজনৈতিক পুনরেকত্রীকরণ ঘটতে পারে। রাম মাধব: বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ও আরএসএস নেতা। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মতো দেশগুলো একদিন জনগণের সদিচ্ছায় পুনরায় একত্রিত হতে পারে। দেবেন্দ্র ফডণবীস: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা। তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন যে তাঁরা অখণ্ড ভারতে বিশ্বাস করেন এবং একদিন করাচিও ভারতের অংশ হবে।এছাড়াও ভারতের নতুন সংসদ ভবনে প্রাচীন অখণ্ড ভারতের একটি ম্যুরাল বা মানচিত্র স্থাপন করা নিয়েও বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ যদি মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হয় তাহলে অর্থনৈতিকভাবে যেমন শক্তিশালী হবে তেমনি সামরিকভাবেও শক্তিমত্তার পরিচয় দিতে সক্ষম হবে। একদিকে তুরস্কের অত্যাধুনিক ড্রোন, সমরাস্ত্র-পাকিস্তানের রণকৌশল ও সৌদি আরবের অর্থনীতির সাথে যুক্ত হলে বাংলাদেশের সামরিক দিক দিয়ে অবস্থান পাল্টে যাবে। যেহেতু চুক্তির শর্তই হলো চুক্তিভুক্ত দেশ গুলির উপর কোন দেশ আক্রমণ করলে যৌথভাবে সব দেশ আক্রমণ করবে। তাহলে প্রতিবেশী কোন রাষ্ট্র সরাসরি বাংলাদেশের উপর হস্তক্ষেপ করতে সাহস পাবে না। সমরাস্ত্র কৌশলের দিক দিয়েও বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশর পাকিস্তানের সাথে জেএফ-১৭ থান্ডার ক্রয়ের ব্যাপারেও কথাবার্তা চলছে। সেই সাথে যদি মক্কাচুক্তিতে যুক্ত হয় তাহলে সামরিক কলাকৌশল ও একত্রে কাজ করার কারণে যে কোন শত্রু বাংলাদেশের উপর আক্রমণ করতে সহজে রাজি হবে না। দেশের ১৮ কোটি জনগণের প্রত্যাশা ও দাবি হচ্ছে বাংলাদেশ এই মুহূর্তে নিজেদের শক্তিশালী করতে বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা সিস্টেম ও সমরাস্ত্রে সজ্জিত হতে মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হবে। তবে মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হবে কিনা এটা বাংলাদেশের সম্পূর্ণ নিজস্ব ও আভ্যন্তরীণ বিষয়।

লেখক : কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক।